অনলাইনে পড়াশোনা

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি হতে পারে না। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। বর্তমান সময়ে বেশি বেশি জ্ঞান অর্জন করার জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে পরিণত হয়েছে অনলাইন। বর্তমান সময়ে অনলাইনে সব কিছু করা যায়। তেমনি পড়াশোনা ও করা যায়। অনলাইনে অনলাইনে পড়াশোনা বর্তমান সময় অনেক জনপ্রিয়। প্রযুক্তি এখন আমাদের জীবনকে সহজ করে দিয়েছে।

আমরা এই প্রযুক্তির ব্যবহার করে অনলাইনে পড়াশোনা করে সহজেই জ্ঞান অর্জন করতে পারছি। অনলাইনে পড়াশোনা করে অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায়। বর্তমানে আমরা ডিজিটাল যুগে বসবাস করছি। আমরা প্রতি বছর নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হচ্ছি। সেই জন্য প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করে অনলাইনে পড়াশোনা করছি। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করে অনলাইনে খুব সহজেই পড়াশোনা করা যায়।

অনলাইনে পড়াশোনা কেন করব? এজন্য আমরা অনলাইনে পড়াশোনা করব যাতে আমরা যেকোনো সময় যেকোনো কিছু জানার প্রয়োজন হলে আমরা সহজেই অনলাইনে থেকে পড়াশোনা করে জানতে পারবো। অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। আমাদের যখন ইচ্ছা হবে আমরা তখনই অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারব।

পড়তে পড়তে কোন সময় যদি কোন কিছু ভুলে যাই কিংবা বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমরা সেই বিষয়ে অনলাইনে পড়াশোনা করে বুঝতে পারব। কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে আমাদের পরবর্তী দিনের জন্য বসে থাকতে হবে না। আমরা তখনই অনলাইনে পড়াশোনা করে সেই বিষয়ে ক্লিয়ার হতে পারব। অনলাইনে পড়াশোনা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমরা যখন তখন অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারি এবং আমাদের মেধা যাচাই করতে পারি।

মেধা বিকাশের জন্য আমাদের বেশি বেশি পড়াশোনা করতে হবে। বেশি বেশি পড়াশোনা করা ছাড়া আমাদের মেধা বিকাশের কোনো সুযোগ নেই। আমাদের মেধা বিকাশ করতে হলে আমাদের বেশি বেশি পড়াশোনা করতে হবে। বর্তমান সময়ে অনলাইনে পড়াশোনা করে আমরা অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারছি।

অনলাইনে পড়াশোনার অনেকগুলো সুবিধা আছে। তার মধ্যে সুবিধাগুলো হলো, অনলাইনে পড়াশোনা করতে আমাদের বেশি খরচ হয় না। আমরা খুব কম খরচে অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারি। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পারি। অনলাইনে পড়াশোনা আমাদের জন্য বর্তমানে অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। অনলাইনে  পড়াশোনা করার জন্য কোন নির্দিষ্ট কোনও সময় প্রয়োজন হয় না। অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য বেশি ব্যয় করতে হয় না।

অনলাইনে পড়াশোনা আমাদের সুবিধা মত করতে পারি। আমাদের যখন যে বিষয়ে দরকার তখন সে বিষয়ে সহজে অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারি। অনলাইনে পড়াশোনা করলে আমরা যদি কোন বিষয় একবারে সহজে না বুঝি তাহলে সেই বিষয়ের ভিডিও বারবার দেখে আমরা সহজেই বুঝে নিতে পারি। অনলাইনে পড়াশোনা করতে বেশী কিছুর প্রয়োজন হয় না।

অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য যে ডিভাইসগুলোর প্রয়োজন তা হলো, ল্যাপটপ/ স্মার্টফোন/ ট্যাব । এই ডিভাইস গুলোর মধ্যে যেকোনো একটা ডিভাইস হলে অনলাইনে সহজে পড়াশোনা করা যাবে। অনলাইনে পড়াশোনা করতে এই ডিভাইস গুলোর সাথে ইন্টারনেট কানেক্ট থাকতে হবে। তাহলে আমরা সহজেই অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারবো। একবার কোন পড়া যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে বারবার সেই পড়া দেখে সহজেই বুঝে নিতে পারি।

অনলাইন পড়াশোনা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমাদের দেশে প্রায় সব মানুষই এখন অনলাইনে পড়াশোনা করছে। স্কুল কলেজে না গিয়ে ও সহজেই ঘরে বসে আমরা অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারছি। এতে আমাদের অনেক লাভবান হচ্ছে। ঘরে বসেই যেহেতু আমরা অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারি সেজন্য আমরা আমাদের পরিবারের সবার সামনেই বসে পড়াশোনা করি। স্কুল-কলেজে ঠিকমতো ক্লাস হয় না এখন।

সেজন্য আমরা ঘরে বসেই সুন্দরভাবে অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারি। নিরব নিস্তব্ধ জায়গায় আমরা পড়াশোনা করতে পারি। এতে পড়াশোনা বুজতে সমস্যা হয় না। বাসায় যেহেতু নিস্তব্ধ পরিবেশ থাকে সেহেতু আমরা সহজেই পূর্ণ মনোযোগ সহকারে বাসায় বসে অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারি। যে যত পড়াশোনা করবে তার জ্ঞান তত বৃদ্ধি পাবে। তাই জ্ঞান বৃদ্ধি করার জন্য পড়াশোনা করার কোনো বিকল্প নেই।

অনলাইনে পড়ার যেমন অনেকগুলো সুবিধা আছে তেমনি অনলাইনে পড়াশোনা করার অনেকগুলো অসুবিধাও আছে। অনলাইনে পড়ার অসুবিধা গুলোর মধ্যে হল, অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য যে ডিভাইসগুলোর প্রয়োজন যেমন স্মার্টফোন ল্যাপটপ ট্যাব ইত্যাদি। এসব ডিভাইস গুলো আমাদের মধ্যে যারা স্টুডেন্ট আছে তাদের অনেকেরই এই ডিভাইস গুলো নেই। যে কারণে তারা অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারছে না।

অনলাইনে পড়াশোনা করতে না পারার একটি অন্যতম অসুবিধা হলো প্রয়োজনীয় ডিভাইস না থাকা। যদি এগুলো ডিভাইস না থাকে তাহলে সে অনলাইনে কখনো পড়াশোনা করতে পারবে না। আমাদের দেশে অনেক নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ বসবাস করে। যাদের ঘরে এইসব ডিভাইস নেই। তারা অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারেনা। এজন্য তারা পড়াশোনা থেকে অনেক পিছিয়ে পড়ছে। তারা শুধু ক্লাসে পড়াশোনা উপর নির্ভরশীল।

তারা অনলাইনে আলাদা ভাবে পড়াশোনা করার সুযোগ পাচ্ছে না। যে কারণে যারা অনলাইনে পড়াশোনা করে তাদের থেকে যারা শুধু ক্লাসের পড়া সোনার উপর নির্ভরশীল তারা অনেক পিছিয়ে আছে। বেশি বেশি জ্ঞান লাভ করার জন্য বেশি বেশি পড়াশোনা করার কোনো বিকল্প নেই। সেজন্য আমাদের বেশি বেশি পড়াশোনা করতে হবে। আমাদের মধ্যে প্রায়ই স্টুডেন্টদের কাছে এই প্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলো নেই।

যে কারণে অনলাইনে পড়াশোনা করার জন্য তাদের একমাত্র বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে এই ডিভাইসগুলো। বর্তমান সময়ে যদি আমাদের সকল স্টুডেন্টদের এই ডিভাইসগুলো দেওয়া যেত তাহলে অনলাইনে পড়াশোনা করে আমরা অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারতাম। আমাদের মধ্যে অনেক স্টুডেন্ট আছে যারা নিম্নমধ্যবিত্ত তারা এই ডিভাইস গুলোর কারণে অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারছে না। এতে তাদের বেশি জ্ঞান অর্জন হচ্ছে না। 

পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত জ্ঞানী। আর যে জাতি যত বেশি পড়াশোনা করবে সে জাতি তত জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। একটি দেশকে একটি শিক্ষিত জাতি পরিচালনা করতে পারে। তাই অশিক্ষিত মানুষ দেশের বোঝা হয়ে থাকে।

কোনদিনও কোন অশিক্ষিত জাতি কোন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে নাই। এখনো পারবে না এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। অশিক্ষিত জাতি দেশের বোঝা হয়ে থাকে। তারা দেশের কোনো কাজে আসে না। তারা দেশকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যেতে পারে না। তাই দেশের বোঝা হতে না চাইলে আমাদের বেশি বেশি পড়াশোনা করতে হবে এবং আমাদের বেশি বেশি জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

তাহলেই আমরা দেশকে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। বর্তমান সময়ে বিশ্বের সাথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। 

Comments

You must be logged in to post a comment.

Related Articles